ক্যাম্পাসলিড নিউজ

ড. শোয়াইবের আত্মার মাগফিরাত কামনায় ইবি কেন্দ্রীয় মসজিদে দোয়া

ইবি প্রতিনিধি:

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের কাম খতিব ড. আ স ম শোয়াইব আহমাদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৬জুন) বাদ জুমা কেন্দ্রীয় মসজিদে এ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

মোনাজাত পরিচালনা করেন আল-কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. সিদ্দিকুর রহমান আশ্রাফী। এসময় উপস্থিত ছিলেন একই বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. নাছির উদ্দীন মিঝি, শহীদ জিয়াউর রহমান হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. শেখ এ.বি.এম. জাকির হোসেন, আল-ফিকহ অ্যান্ড লিগ্যাল স্টাডিজ বিভাগের সভাপতি মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন আজহারী, সহকারী প্রক্টর শরিফুল ইসলাম ও ক্যাম্পাস পার্শ্ববর্তী মাদরাসাতুস সুন্নাহর পরিচালক ইমরান হোসাইনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও মসজিদের মুসল্লীরা।

মোনাজাতের পূর্বে অধ্যাপক ড. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, “ড. শোয়াইব ধর্মতত্ত্বের ভর্তি পরীক্ষায় ৪৫তম হয়েছিলেন। তিনি জীবনে ইসলামের জন্য অনেক খেদমত করে গেছেন। তার বিদায় মানে এক উজ্জ্বল নক্ষত্রের বিদায়। এতো কম বয়সে তিনি চলে যাবেন এটা আমাদের কল্পনার বাইরে ছিল। আমাদের সবাইকে চলে যেতে হবে। তাই যেকোন চলে যাওয়ার জন্য আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে।”

উল্লেখ্য, সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে গত শনিবার আনুমানিক রাত সোয়া ১১টার দিকে রাজধানীর কল্যাণপুরের ইবনে সিনা হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। জানা যায়, গত ৬ জুন ক্যাম্পাস থেকে ঢাকায় যাওয়ার পথে মাগুরার অদূরে বাস দুর্ঘটনার কবলে পড়েন তিনি। এতে মারাত্মক আহত হলে তাকে প্রথমে মাগুরা সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে শারীরিক অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় রাজধানীর ইবনে সিনা হাসপাতালে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। সেখানে শনিবার রাত সোয়া ১১টার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

ড. শোয়াইব আহমাদ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পেশ ইমাম হিসেবে যোগদান করেন। দীর্ঘ ২৬ বছরের অধিক সময় ধরে তিনি ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

ড. শোয়াইবের ছাত্রজীবনে সাংস্কৃতিক ও বিতর্ক অঙ্গনে বেশ খ্যাতি ছিলো। কর্মজীবনে তিনি ইমামতির পাশাপাশি একাধারে ইংলিশ ও আরবি ভাষা শিক্ষার গবেষক ছিলেন। এ বিষয়ে নিজের ইনস্টিটিউটও ছিলো। ভাষা শেখার সহজ উপায় খুঁজতে তিনি কিছু টেকনিক বের করেছিলেন। যা আত্মস্থ করলে খুব সহজেই যে কেউ অন্য ভাষা শিখতো খুব দ্রুতই।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button

You cannot copy content of this page