ক্যাম্পাসলিড নিউজ

সবচেয়ে বড় মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছিল পঁচাত্তরের ১৫ ই আগস্ট: হানিফ

ইবি প্রতিনিধি:

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, ‘শেখ হাসিনার দয়ায় খালেদা জিয়া বাসায় বসে চিকিৎসা নিচ্ছেন। আর আপনারা বলেন তার মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে? এদেশের সবচাইতে বড় মানবাধিকার লঙ্ঘন তো হয়েছিল ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট। জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যা করা হয়েছে। আজকে বিশ্বের ক্ষমতাধর দেশগুলো আমাদেরকে গণতন্ত্রের, মানবাধিকারের ছবক দিচ্ছেন। আজকে এখান থেকে তাদেরকে জিজ্ঞেস করতে চাই। যখন ১৯৭৫ সালের ১৫ ই আগস্ট জাতির পিতাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল, তখন কোথায় ছিল আপনাদের মানবতা? কোথায় ছিল আপনাদের মানবতা, যখন ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় আসার পর আওয়ামী লীগকে ভোট দেওয়ার কারণে লোকদের উপর নির্মম অত্যাচার শুরু করেছেন।’

রবিবার (২০ আগস্ট) সকাল ১১টায় জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) বঙ্গবন্ধু পরিষদের আয়োজনে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপির উদ্দেশ্যে করে হানিফ বলেন, ‘আপনারা স্বপ্ন দেখছেন রাষ্ট্র ক্ষমতায় যাবেন? লন্ডনে বসে খুনি তারেক বিদেশীদের কাছে ধরণা দিয়ে এত সহজে সরকার হটানো সম্ভব নয়। শেখ হাসিনা কোনো কচুর পাতার পানি নয় যে, এত সহজে ধাক্কা দিলে পড়ে যাবে। দেশের জনগন শেখ হাসিনার সাথে আছে, কোন শক্তি তাকে ক্ষমতা থেকে নামাতে পারবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘ওরা চায় টেইকবেক বাংলাদেশ। টেইকবেক বাংলাদেশ কি? ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের সেই বাংলাদেশ? নাকি জিয়াউর রহমানের সেই ৭৫ এর পরের সেই বাংলাদেশ? যে জায়গায় আপনাদের কোন উন্নতি নাই, অগ্রগতি নেই, কোন সফলতা নেই। বিএনপি পরপর পাঁচবার বাংলাদেশকে দুর্নীতিতে এক নাম্বার করেছিলো। আপনাদের সেই জঙ্গি, সন্ত্রাসী রাষ্ট দেশের মানুষ দেখতে চায় না। টেইকবেক বাংলাদেশ বলতে কিছু হবে না। আমরা শোক বলে ক্ষান্ত হবো না, শোককে শক্তিতে রূপান্তর করব। বিএনপি-জামায়াতকে প্রতিহত করে আগামী নির্বাচনে শেখ হাসিনাকে জয়ী করবো।’

এ সময় অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর হোসেনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ-১ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ আব্দুল হাই এবং কুষ্টিয়া-১ আসনের সংসদ সদস্য আ ক ম সরোয়ার জাহান বাদশা। অনুষ্ঠানের সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আরফিনের সঞ্চালনায় প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনটির জাতীয় শোক দিবস উদযাপন কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান।

এছাড়াও অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া বক্তব্য প্রদান করেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button

You cannot copy content of this page