ক্যাম্পাসলিড নিউজ

খুবির কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ যেন যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকা!

সাজ্জাদুল ইসলাম আজাদ, খুবি প্রতিনিধি:

অপরিকল্পিত পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ও সংস্কারের অভাবে বেহাল খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠ। বর্ষাকাল এলেই বৃষ্টির পানিতে ডুবে যায় মাঠ। অসমতল ভূমি, কর্দমাক্ত মাটি ও জলাবদ্ধতার কারণে খেলাধুলার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে মাঠটি। অবস্থাদৃষ্টে মনে হয় মাঠের নজরদারি করার কেউ নেই।

শরীরচর্চা ও খেলাধুলার জন্য প্রয়োজন খেলার মাঠ। একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে খেলার মাঠ থাকা আবশ্যক। দেশের অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে একাধিক খেলার মাঠ থাকলেও ঠিক উল্টো চিত্র খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে।

সরেজমিনে দেখা যায়, পরিকল্পিত পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টি এলেই জলাবদ্ধতার তৈরি হয় এবং বছরের নিদিষ্ট সময় ছাড়া মাঠের ঘাস কাটার দিকে নজর নেই প্রশাসনের। মাঠের এক পাশে নালা খনন করা হয়েছে। আরেকপাশ বালি দিয়ে উঁচু করা হচ্ছে।
অসমতল ভুমি,কর্দমাক্ত, মাটি এবং জলাবদ্ধতার কারণে মাঠে খেলাধুলা অনেক শিক্ষার্থী ঝুঁকিপূর্ণ মনে করেন। এমতাবস্থায় বহিরাগতরা এসে মাঠ দখল করছেন বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।

বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি মাত্র মাঠ থাকায় এই মাঠেই আন্তঃডিসিপ্লিন ক্রিকেট, ফুটবল ও ভলিবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়। তবে তবে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে ক্রিকেট ও ফুটবল মাঠ পৃথকীকরণের দাবি করা হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শারীরিক শিক্ষা ও চর্চা বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. আহসান হাবীব জানান,
“এটি একটি বড় প্রজেক্ট। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবিষয়ে আন্তরিক। তবে এই সমস্যা সমাধানে একটু সময় প্রয়োজন। এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য কাজ করা হবে।”

শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বললে পদার্থবিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মো. মেহেদী হাসান বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ে টুর্নামেন্ট শুরু হলে প্রশাসনের তৎপরতা দেখা যায়। এছাড়া সারাবছর অযত্নে, অবহেলায় পড়ে থাকে মাঠটি।”

এছাড়াও ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী আসিফ মাহমুদ তুষার জানায়, “খেলার মাঠে পানি নিষ্কাশনের সুপরিকল্পিত কোনো ব্যবস্থা নেই। ফলে মাঠে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। তাই খেলার কোনো পরিবেশ নেই মাঠে।”

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button

You cannot copy content of this page