ক্যাম্পাসলিড নিউজ

কর্মকর্তাদের আন্দোলন, উদ্ভুত পরিস্থিতির নিরসন চায় ইবির আওয়ামীপন্থী শিক্ষকরা

ইবি প্রতিনিধি:

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) চলমান কর্মকর্তাদের কর্মবিরতির কারণে উদ্ভুত পরিস্থিতি কারণে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন শাপলা ফোরাম। একইসঙ্গে উক্ত পরিস্থিতির নিরসন চেয়েছেন তারা। আগামী শনিবারের মধ্যে ক্যাম্পাসে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরে না আসলে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে সর্বসম্মতভাবে জরুরী সাধারণ সভা আহবানের দায়িত্ব প্রদান করা হয়।

মঙ্গলবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় সংগঠনটির সভাপতির কক্ষে (ইংরেজি বিভাগ) অনুষ্ঠিত কার্যনির্বাহী পর্ষদের অষ্টম সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এছাড়ায় সভায় দীর্ঘদিন বঙ্গবন্ধু চেয়ার অধ্যাপক পদ ফাঁকা থাকায় ৭ দিনের মধ্যে পদ পূরণ করতে যথাযথ প্রদক্ষেপ গ্রহণের জন্য উপাচার্যকে চিঠি প্রদান সহ বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন শিক্ষক নেতারা।

শাপলা ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক ড. মামুনুর রহমান বলেন, ‘সামনে জাতীয় নির্বাচন এদিকে ক্যাম্পাসে দীর্ঘদিন অচলাবস্থা বিরাজ করলেও প্রশাসনের নিরব ভূমিকায় আমরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছি। বিশেষ করে কর্মকর্তাদের চলমান আন্দোলন বিশ^বিদ্যালয়ের স্বাভাবিকতাকে বাধাগ্রস্থ করেছে। শিক্ষকদের বিভিন্ন বিল আটকে আছে। কর্মকর্তারা কি করলো সেটা আমাদের দেখার বিষয় নয়, একাডেমিক ও শিক্ষকদের স্বাভাবিক কাজগুলো ব্যহত হচ্ছে।’

কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি এটিএম এমদাদুল আলম বলেন, ‘একাডেমিক কার্যক্রম আমরা কর্মবিরতির আওতামুক্ত রেখেছি। ভিসিপন্থী একটি মহল এই ব্যাপারটি নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে।’

এদিকে সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত কর্মকর্তা ও কর্মাচারীদের সাধারণ সভায় দাবির বিষয়ে শনিবার পর্যন্ত উপাচার্যকে আল্টিমেটাম দেওয়া হয়। আগামী শনিবারের মধ্যে তাদের দাবি পূরণ না হলে ওইদিনই পুণরায় সাধারণ সভা ডেকে আরো কঠোর কর্মসূচি নেবেন বলে সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। গত ২৬ জুলাই থেকে ১৬ দফা দাবিতে তারা কর্মবিরতি অব্যহত রেখেছেন। তবে একাডেমিক, শিক্ষা, শিক্ষার্থীবান্ধব বিভিন্ন কার্যক্রম তারা অব্যাহত রেখেছেন বলে জানান।রএদিকে কর্মকর্তাদের একাংশ ১৬ দাবির মধ্যে দুইটি দাবির বিপক্ষে অবস্থান করছেন। দাবি থেকে উক্ত দাবিগুলো বাদ না দিলে তারা আন্দোলনে অংশ নেবেন না বলেও জানিয়েছেন। দাবিগুলো হলো- চাকরির বয়সীমা ৬০ থেকে ৬২ তে উন্নীতকরণ এবং নূন্যতম যোগ্যতায় পোষ্য কোটায় সন্তানদের ভর্তি।

এদিকে ক্যাম্পাসের সার্বিক পরিস্থিতি, আন্দোলন সহ বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষক সমিতি ও শাপলা ফোরামের সঙ্গে তারই কার্যালয়ে পৃথকভাকে চার ঘন্টা বৈঠক করেছেন উপাচার্য। এসময় উপাচার্য ছাড়াও উপ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ উপস্থিত ছিলেন। এসময় আন্দোলনের বিষয়ে তাদের কাছে উপাচার্য সহায়তা কামনা করেন বলে জানা গেছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button

You cannot copy content of this page