ক্যাম্পাসলিড নিউজ

বহিরাগত নারী ধর্ষণ : উত্তাল জাবি

জাবি প্রতিনিধি:

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) এক বহিরাগত নারীকে ধর্ষণের প্রতিবাদে বাংলা বিভাগের নেতৃত্বে মানববন্ধন করেছেন শিক্ষক ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা। ধর্ষকের বিচারের দাবিতে শহিদ মিনারের সামনে মানববন্ধন করেছেন তারা।

রোববার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা এই মানবন্ধনে অংশগ্রহণ করেন। এ সময় তারা ধর্ষককে সর্বোচ্চ শাস্তি, নিরাপদ ক্যাম্পাস, বিশ্ববিদ্যালয় বাদী হয়ে মুস্তাফিজুরের বিরুদ্ধে মামলা করা, হলের অবৈধ শিক্ষার্থীদের তিনদিনের মধ্যে হল ছাড়াসহ বিভিন্ন দাবি করেন।

বাংলা বিভাগের ৪৮ তম আবর্তনের শিক্ষার্থী মনীষা হক বলেন, মানবতা আজ কোথায়? আমরা নিজেদের নিরাপদ মনে করছি না। আমার প্রথম বর্ষে এমন একটা ঘটনা ঘটে যেখানে আমি প্রতিবাদ করতে পারিনি। কিন্তু এভাবে নীরব থাকলে চলবে না। আমরা কাদের সাথে আছি আর তাদের মানসিকতা কেমন তাকে প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের পর্যায়ে এসেও যদি মানবতার দিকটি চর্চা না করতে পারি তাহলে এখানে আমাদের আসা ঠিক না। ছোট ছোট অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিবাদ করা উচিত।

বাংলা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড.শামীমা সুলতানা লাকী বলেন,আমাদের এ সময় ক্লাসে থাকার কথা কিন্তু আমরা এখানে এসেছি ধর্ষকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে।আমরা নিজেদের নিরাপদ বলে মনে করছি না। চুরি থেকে শুরু করে বিভিন্ন অঘটন ঘটে যাচ্ছে।এতে আমাদের নিরাপত্তা দিকটি হুমকিতে পড়েছে। আপনারা সিটের সংকট দেখিয়ে ৫২ ব্যাচকে অনলাইনে ক্লাস করিয়েছেন।আমি প্রতিনিয়ত দেখি আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে সিট সংকট। আমাদের সিট সংকট কেন থাকবে? তার মানে এখানে প্রশাসন জড়িত আছে এখানে অছাত্ররা বৈধ সিটে থাকে। আর বৈধ শিক্ষার্থীদেরকে গণরুমে নিচ্ছেন।আপনারা ২৫০০ অবৈধ ছাত্রদের হলে রেখেছেন এর কারণ কি? এদের দিয়ে নারীদের ধর্ষণ করানোর জন্য নাকি চুরি শিখানোর জন্য?এ ছেলের ছাত্রত্ব যেন বাতিল করা হয়।

এর আগে রোববার রাতে ধর্ষণের খবর ছড়িয়ে পড়লে রাতেই বিক্ষোভ শুরু করেছিল সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

উল্লেখ্য,বহিষ্কৃত মুস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে গত শনিবার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মশাররফ হোসেন সংলগ্ন জঙ্গলের ভিতরে এক বহিরাগত নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button

You cannot copy content of this page