ক্যাম্পাস

আজ থেকে দেশের ৯টি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি আবেদন শুরু

বাকৃবি প্রতিনিধি:

কৃষি গুচ্ছ ভর্তি ব্যবস্থায় দেশের ৯টি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন শুরু হয়েছে।

সোমবার (২২ এপ্রিল) ভর্তির আবেদন শুরু হয়েছে যা চলবে আগামী ৩০ মে পর্যন্ত। এবারের ভর্তি আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে অফেরতযোগ্য ১২০০ টাকা।

জানা যায়, কৃষিগুচ্ছের ৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন ৩ হাজার ৭১৮টি। গত বছরের তুলনায় আসন বেড়েছে ১৭০টি।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১১১৬টি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪৩৫টি, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬৯৮টি, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪৪৮টি, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৭০টি, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪৩১টি, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৫০টি, হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৯০টি ও কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮০টি আসন রয়েছে।

নতুন করে শিক্ষা কার্যক্রম চালুর অনুমোদন পাওয়ায় কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ও এবার কৃষিগুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় যুক্ত হয়েছে।

আবেদনকারীকে ২০১৯/২০২০/২০২১ সালে এসএসসি/সমমান এবং এবং ২০২২/২০২৩ সালের এইচএসসি/সমমানের পরীক্ষায় উভয় ক্ষেত্রে প্রতিটির চতুর্থ বিষয় ছাড়া ন্যূনতম জিপিএ ৪ এবং সর্বমোট জিপিএ ৮ দশমিক ৫ থাকতে হবে। ২০২২ সালের এসএসসি/সমমান মানোন্নয়ন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন।

আগামী ২০ জুলাই শনিবার দেশের ৮টি কেন্দ্র ও একাধিক উপকেন্দ্রে একযোগে বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

গত বুধবার (১৭ এপ্রিল) চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং কৃষি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা ২০২৩-২০২৪ এর কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. এএসএম লুৎফুল আহসান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

লেখক ও গবেষক অধ্যাপক ড. মোঃ সহিদুজ্জামান কৃষি গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষা সম্পর্কে বলেন, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীরা সুবিধা ও অসুবিধা উভয়েরই সম্মুখীন হচ্ছে। একসাথে সব কয়টি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা হওয়ায় পরীক্ষার্থীদের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা দিতে হয় না। এতে তাদের সময়, অর্থ ও পরিশ্রম অনেকাংশেই কমে যায়।

অধ্যাপক ড. সহিদুজ্জামান আরো বলেন, ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছুরা মোট জিপিএ ৭ হলেই অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করতে পারতো। জিপিএ ৮.৫ নির্ধারণ করায় অপেক্ষাকৃত কম জিপিএ ধারী শিক্ষার্থীরা ভর্তি পরীক্ষায় আবেদন করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

কৃষি গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষার অসুবিধা সম্পর্কে এ গবেষক বলেন, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো একসাথে গুচ্ছ পদ্ধতিতে আসার পর দেখা গেছে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে দীর্ঘ সময় ব্যয় হওয়ায় ক্লাসও দেরি করে শুরু হচ্ছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button

You cannot copy content of this page