ক্যাম্পাস

জাবির ইংরেজী বিভাগের ব্যতিক্রমধর্মী নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

জাবি প্রতিনিধি:

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ইংরেজী বিভাগে দশদিন ব্যাপী ব্যতিক্রমধর্মী নবীন বরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ৩১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়ে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত চলে এই বরণ।

গত ৩১ ডিসেম্বর নবীন ব্যাচের (৫১তম আবর্তন) ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ক্লাস শুরু হয়।‌ এদিন নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজী বিভাগে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে এ অনুষ্ঠান পালিত হয়।

অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক ছিলেন বিভাগটির অধ্যাপক মাশরুর শহীদ হোসেন। প্রথম দিন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বিভাগের শিক্ষক ও অন্যান্য ব্যাচের শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে তাদের আনুষ্ঠানিক ভাবে বরণ করে নেওয়া হয়।

বরণ অনুষ্ঠানটি ছিল দুই অংশে বিভক্ত। প্রথম পর্বে বিভিন্ন শিক্ষণীয় ও আনন্দপূর্ণ আয়োজনের মাধ্যমে নতুন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেয়া হয়। এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিল শিক্ষক-শিক্ষার্থী কথোপকথন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, কুইজ, বুদ্ধির খেলা ও নবীনদের জন্য মধ্যাহ্ন ভোজ। অনুষ্ঠানটির আহ্বয়াক অধ্যাপক মাশরুর শাহিদ হোসেন এই পর্বকে “দীক্ষা” বলে অভিহিত করেছেন।

পরবর্তী পর্বের আয়োজনে ছিল, “অভিযোজন” প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কিভাবে একজন নতুন শিক্ষার্থী নতুন স্থানে খাপ খাইয়ে নিতে পারবে,তা নিয়ে কথোপকথন।

৭ দিন ব্যাপী এই আয়োজনে আরও ছিল স্মৃতিসৌধ ভ্রমণ, ক্যাম্পাস পরিভ্রমণ, ভিন্ন ভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিভাগের অন্যান্য ব্যাচ ও বিভাগের শিক্ষার্থীদের সাথে নবীনদের পরিচয়, নবীন শিক্ষার্থীদের সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাস্থ্য সেবা, আইনগত ও নিরাপত্তা সহায়তা, সাংস্কৃতিক সংগঠন, ক্রীড়া কর্মকাণ্ড, আর্থিক সহায়তা, প্রযুক্তি সহায়তা, পরামর্শ সহায়তা ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয়ে সাথে পরিচয় হওয়া।

আয়োজন নিয়ে, অধ্যাপক মাশরুর শহীদ হোসেন বলেন ‘আমাদের এই আয়োজনের প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংলগ্নতা বোধ জাগিয়ে তোলা। তিনটি বিষয় শিক্ষার্থীদেরকে বোঝানো হয়েছে। প্রথমত, শিক্ষার্থী নিজে এই স্থানের একজন সম্মানিত সদস্য। ও এই স্থানের সবার কাছে শিক্ষার্থীর মতামতের গুরুত্ব আছে এবং শিক্ষার্থীর বিপদে আপদে এখানকার মানুষরা সহায়ক ।’

নবীনবরণ সমন্ধে ৫১তম আবর্তনের শিক্ষার্থী সাজ্জাদ হোসেন শিমুল অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, ‘আমাদের ইংরেজী বিভাগের ১০ দিনব্যাপী নবীনবরণ অনুষ্ঠানটি ছিলো অনবদ্য। সাংস্কৃতিমনা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাপ যেন ইংরেজি বিভাগ ফুটিয়ে তুলেছিলো অন্য আঙ্গিকে। নবীনবরণ অনুষ্ঠানে ছিলো অগ্রজ ও অনুজ পরিচিত পর্ব। যা সবকিছু ভুলে এক ভ্রাতৃত্বের বন্ধন তৈরিতে সাহায্য করেছে। এভাবেই সবকিছু ছাড়িয়ে ইংরেজি বিভাগ এগিয়ে যাবে বলে আশা করছি।’

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button

You cannot copy content of this page