ক্যাম্পাস

পিঠা উৎসবে মেতেছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়

কুবি প্রতিনিধি:

বসন্ত এসে গেছে, তবু রয়েছে শীতের রেশ। এরই মধ্যে ফাগুনের হাওয়াকে উষ্ণতা দিয়ে গেছে ভালোবাসা দিবসের রৌদ্রোজ্জ্বল দিন। তাঁর সাথে যুক্ত হয়েছে আবহমান গ্রাম বাংলার সংস্কৃতি পিঠা উৎসব। বাঙালির এই পিঠা উৎসবের সংস্কৃতিকে ধরে রাখতে তরুণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে পিঠা উৎসবের আয়োজন করে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের সহযোগী সংগঠন একাউন্টিং কালচালার এন্ড হ্যারিটেজ ক্লাব।

মঙ্গলবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় ‘পেটে খেলে পেটে সয়’, ‘রসনায় বৈচিত্র আসুক পিঠের সুবাসে, পিঠের স্বাদে এসো উৎসবে একসাথে’ এই সকল প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ সংলগ্ন ব্যাডমিন্টন কোর্টে এই উৎসবের আয়োজন করা হয়।

শিক্ষার্থীদের তৈরি বিভিন্ন স্টলে ছিলো বাহারি পিঠার আয়োজন। স্টলে স্টলে দেখা যায় শামুক, ঝিনুক, নকশী, সাঝ, পুলি, পাকন, মালেকা ঝুলেকাসহ নানা ধরণের আয়োজন।

এসময় পিঠা উৎসবে ঘুরতে আসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, বিবিএ ফ্যাকাল্টির ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার, বিভাগটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন, অধ্যাপক ড.বিশ্বজিৎ চন্দ্র দেব সহ অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ।

একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস্ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন বলেন, ‘আজকে পহেলা ফাল্গুন, বসন্তের প্রথম দিন। আমাদের একাউন্টিং ডিপার্টমেন্টের যে ক্লাব আছে তারই একটা শাখা হচ্ছে কালচারাল এন্ড হ্যারিটেজ ক্লাব। পিঠা উৎসব আয়োজনের মূল কারণ বাঙালির যে ঐতিহ্য আছে, যে সংস্কৃতি আছে তার সাথে সবাই কে আবার পুনরায় পরিচয় করিয়ে দেওয়ার। মূলত পুরনো ঐতিহ্যের মেলবন্ধন সৃষ্টির জন্যই আমাদের এই আয়োজন।’

কালচারাল এন্ড হ্যারিটেজ ক্লাবের কো কো-অর্ডিনেটর শাহাদাত হোসন বলেন, ‘স্বল্প সময়ে সকলের প্রচেষ্টায় আমরা প্রানবন্ত একটি পিঠা উৎসব আয়োজন করতে পেরেছি। এই উৎসব আয়োজনে যারা পরিশ্রম করেছে এবংবিশেষ করে ১৫ তম ও ১৬ তম ব্যাচকে ধন্যবাদ জানাই। আমাদের উদ্দেশ্য ছিল বাঙালির ঐতিহ্যকে তুলে ধরা। এই ধারা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।’

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button

You cannot copy content of this page