ক্যাম্পাসলিড নিউজ

ইবিতে সহপাঠীকে মারধর, প্রক্টর অফিসে অভিযোগ

আহসান হাবীব রানা, ইবি প্রতিনিধি:

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ফলিত পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের এক শিক্ষার্থীকে মারধর করে আহত করা অভিযোগ উঠেছেএকই শিক্ষাবর্ষের অন্য এক সহপাঠীর বিরুদ্ধে। রবিবার (০৯ মার্চ) সাড়ে ১০ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ঝাল চত্ত্বরের এ ঘটনা ঘটে।

মারধরে আহত শিক্ষার্থী ফলিত পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে শরিফুজ্জামান শোভন এবং অভিযুক্তশিক্ষার্থীর ইংরেজি বিভাগের একই শিক্ষাবর্ষের মাসুদ রানা।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শোভন সাড়ে ১০ টায় ক্যাম্পাসের ডায়না চত্ত্বরের দিকে যায়। ঝাল চত্ত্বরে পৌঁছাতে ইংরেজি বিভাগেরছাত্র মাসুদ রানার নেতৃত্বে হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্টের বিভাগের সজিব ও বাংলা বিভাগের তৌহিদসহ ১২/১২ জন শোভনেরউপর অতর্কিত হামলা করে কিল ঘুষি লাথিসহ রাস্তার উপর ফেলে মাথায় আঘাত করে। এতে ভুক্তভোগীর মাথায় মারাত্মকভাবে ক্ষতি হয়। নাক-মুখ হাতের আঙ্গুল জখমসহ রক্তপাত হয়েছে এবং হাতঘড়ি, চশমা, মানিব্যাগ কেড়ে নিয়ে অমানুষিকনির্যাতন করে বলে অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া শোভন ক্যাম্পাসে ক্যাম্পাসে দেখলে দেখলে মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছে বলেঅভিযোগে উল্লেখ করে ভুক্তভোগী।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, শোভনের সাথে মাসুদের ক্যাম্পাস বন্ধের পূর্বে একধাপে মারামারি ও মনোমালিন্য হয়েছিল।পরবর্তীতে রবিবার ক্যাস্পাস ক্লাস শুরু হওয়ার দ্বিতীয় দিন শোভনকে একা পেয়ে এলোপাতারিভাবে মারধর করে রক্তাক্ত করেমাসুদ। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্রে শোভনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী শরিফুজ্জামান শোভন বলেন, আমাকে অতর্কিত আঘাত করে মাটিতে ফেলে এলোপাতাড়িভাবে লাথিমারে। আমাকে বিভিন্ন ছোট অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। হাত, পা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত লেগেছে। এছাড়াতিনিপ্রশাসনের কাছে তাদের বহিষ্কার চাই বলে জানান।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী মাসুদ রানা বলেন, ক্যাম্পাস বন্ধের পূর্বে আমাদের উপর অতর্কিত হামলাচালানো হয়েছিল,সে বিষয়ে প্রক্টর বরাবর অভিযোগ দিয়েছিলাম কিন্তু কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। আজকে সকালে আমরাঝাল চত্বরে এলাকায় ছিলাম, তখন শোভন খুবই বাজে ভাবে কথা বলছিল। তার বাজে অঙ্গভঙ্গির ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করতেগেলে সে আমার শার্টের কলার ধরে মারধর করার চেষ্টা করে। তখন কিছুটা হাতাহাতি হয়।

এ বিষয়ে প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহাদাত হোসেন আজাদ বলেন, ‘মারধরে বিষয়টি শুনেছি। অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত করেব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button

You cannot copy content of this page